শেয়ার বাজার কি এবং এর কাজ (Functions of the Stock Exchange)

Stock Exchange, What is Stock Exchange, Transactions on the Stock Exchange, Stock Exchange Speculation, Stock Exchange Full Details In Bengali

শেয়ার বাজারের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি

(1) সুসংগঠিত ও নিখুঁত বাজার : প্রতিটি শেয়ার বাজার কঠোর নিয়মাবলী দ্বারা গঠিত ও নিয়ন্ত্রিত। শেয়ার বাজারে লেনদেন নির্দিষ্ট রীতিনীতি অনুসারে সাধিত হয়। এছাড়া ব্যাপক অঞ্চলের সকল ক্রেতা ও বিক্রেতার পক্ষে উপযুক্ত মিলনক্ষেত্র প্রস্তুত করে শেয়ার বাজার লগ্নীপএ বেচাকেনার একটি নিখুত বাজার গড়ে তোলে।

Read More : Top 100 Most Inspiring Albert Einstein Quotes

(2) সদা প্রস্তুত সংগঠিত বাজার : শেয়ার ও ডিবেঞ্জার বেচা কেনার জন্য স্থায়ী ও সংগঠিত বাজার হিসাবে এই বাজার বিনিয়োগকারীগণকে সর্বদা সাহায্য করে। এই হস্তান্তরের সুযোগ থাকায় কোম্পানীগুলির পক্ষে তাদের মূলধন সংগ্রহ করা সহজ হয়।

(3) ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণ : শেয়ার বাজারে যে ফট্‌কা লেনদেন দেখা যায় তার ফলে লম্মীপত্রের ভবিষ্যৎ মূল্য কি হবে সে সম্পর্কে আগে থেকে কিছুটা জ্ঞান লাভ করা যায়। যে সমস্ত কোম্পানী শেয়ার বাজারের তালিকাতুক্ত, তাদের কাজকর্ম অনুধাবন করে এবং দেশ বিদেশের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এই ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারিত হয়ে থাকে। যদি কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান ক্রমাগত লাভ করতে থাকে তাহলে এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার সবাই কিনতে চাইবে। এ কোম্পানীর শেয়ারের দাম বাজারে বাড়বে। আবার যদি প্রতিষ্ঠানটি ক্রমাগত লোকসান করতে থাকে তাহলে কেউই এঁ কোম্পানীর শেয়ার কিনতে চাইবে না। শেয়ার বাজারে এ কোম্পানীর শেয়ারের দাম কমবে।

(4) লগ্নীকৃত অর্থের সদ্ব্যবহার : শেয়ারের দাম অনুযায়ী শেয়ারের অর্থলন্নীর প্রবাহ পরিবর্তিত হয়। মন্দ কোম্পানী থেকে ভালো কোম্পানীর দিকে অধিকতর অর্থ প্রবাহিত হয়। ফলে যোগ্য কোম্পানীর ক্ষেত্রে বা যোগ্য হস্তে লগ্নীকৃত অর্থের সদ্যবহার হয়। এতে সমাজের কল্যাণ সাধিত হয়।

(5) সঞ্চয়ের প্রবৃত্তকরণ : শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে লগ্নী সহজসাধ্য হওয়ায় জনসাধারণের মধ্যে সঞ্চয়ের আগ্রহ দেখা যায়। শেয়ার বাজারের মাধ্যমে শেয়ার বা ডিবেধ্গর সহজেই বিক্রি করা যায় বলে শেয়ার কিনতে জনসাধারণ ইতস্তত করে না। এইভাবে সঞ্চিত অর্থ কোম্পানীতে লগ্নী হতে থাকে শেয়ার বাজার থাকার ফলে।

(6) কোম্পানীর কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি : কোম্পানীর কাজকর্মের ফলাফল তাদের লভ্যাংশের হারেই প্রতিফলিত হয় এবং লভ্যাংশের হার অনুযায়ী শেয়ার বাজারে শেয়ারের দাম নির্ধারিত হয়। কাজেই কোম্পানীগুলি তাদের মুনাফাবৃদ্ধি ক’রে এবং লভ্যাংশ বাড়িয়ে জনসাধারণের সামনে তাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য সচেষ্ট হয়। এইভাবে শেয়ার বাজার থাকার জন্য কোম্পানীগুলি তাদের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করে।

READ ALSO  নেতাজী ও আজাদ হিন্দ-বাহিনী - Netaji and Azad Hind-forces

(7) সরকারী ঋণপত্রের হস্তান্তরে সুবিধা : শেয়ার বাজারে যে শুধুমাত্র বেসরকারী শেয়ার বা ডিবেঞ্চার বিক্রি করা হয় তা নয়। সরকারী খণপত্রও শেয়ার বাজারে বিক্রি হয়। কাজেই সরকারের অর্থ সংগ্রহের কাজেও শেয়ার বাজার এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে। সরকারী খণপত্রগুলি শেয়ার বাজারে সহজেই বিক্রি করা যায় বলে জনসাধারণ সরকারী খণপত্র কিনতে ইতস্তত করে না। ফলে সরকারী খণ গ্রহণের কাজ সুগম হয়।

(8) অর্থনৈতিক ব্যারোমিটার : শেয়ারের দামের ওঠানামা থেকে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছুটা আভাস পাওয়া যায়। শিল্পক্ষেত্রের ঘটনাবলীর ফলাফল শেয়ার বাজারের লেনদেনে প্রতিফলিত হয়। সেজন্য শেয়ার বাজারের কার্যকলাপ শিল্প পরিস্থিতির পরিমাপক বা অর্থনৈতিক ব্যারোমিটার (Economic Barometer) হিসাবে কাজ করে থাকে।

শেয়ারের বাজারের উপরি-বর্ণিত কাজগুলি আলোচনা করলে দেখা যায় যে এই কাজগুলির ফলে কোম্পানী, বিনিয়োগকারী, সরকার এবং সমাজ সকলেই উপকৃত হয়। সমাজের দিক থেকে সুবিধাগুলি হ’লঃ অধিকতর সঞ্চয়ের মাধ্যমে বেশি মূলধন গঠন সম্ভব হয় এবং লগ্নীযোগ্য অর্থ ও বন্তুসম্পদের সদ্যবহার করা সম্ভব হয়। সরকারের দিক থেকে সুবিধা হ’লঃ সরকারী ঋণগ্রহণ এবং অর্থ সংগ্রহের কাজটি সহজ হয়। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্প রূপায়িত করতে সরকারের সুবিধা হয়। কোম্পানীর দিক থেকে সুবিধা হল কোম্পানীর লগ্নীপএ শেয়ার বাজারের তালিকাতুক্ত হ’লে কোম্পানীর বাজারে সুনাম বৃদ্ধি পায় এবং কোম্পানীর শেয়ার বিক্রির জন্য বিস্তৃত বাজার পাওয়া যায়। তার ফলে কোম্পানীর পক্ষে অর্থ সংগ্রহ করা সহজসাধ্য হয়। বিনিয়োগকারীদের দিক থেকে সুবিধা হলঃ বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজনে দ্রুত শেয়ার হস্তান্তর করতে পারে এবং শেয়ার মূলধনকে অর্থে পরিণত করতে পারে। তাছাড়া শেয়ার বাজারে নিরাপদ এবং নিয়ন্ত্রিত লেনদেনের মাধ্যমে লগ্নীপত্রের ন্যায্য মূল্য বিনিয়োগকারীরা পেতে পারে।

শেয়ার বাজারের লেনদেন (‘Transactions on the Stock Exchange)


শেয়ার বাজারের লগ্নীপত্রের বেচাকেনা সম্পর্কে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলােচনা করা যেতে পারে। প্রথমত, শেয়ার বাজারের তালিকাভুক্ত না হলে কোন কোম্পানীর শেয়ার ও ডিবেঞ্চার ঐ বাজারে বেচার অনুমতি দেওয়া হয় না। সেজন্য শেয়ার বা ডিবেঞ্চারগুলিকে সহজে হস্তান্তরযােগ্য করার জন্য বড় বড় পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী তাদের শেয়ার ও ডিবেঞ্চার একটি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত করতে বাধ্য হয়। কোম্পানী আইন অনুযায়ী বিজ্ঞাপনী প্রচারের দিন থেকে চার সপ্তাহ কিংবা সাত সপ্তাহের মধ্যে তালিকাভুক্ত মঞ্জুর না হলে শেয়ার আবেদনকারীগণকে তাদের প্রাপ্য অর্থ ফেরত দিতে হয়। কোম্পানীর কাজকর্ম বিশ্লেষণ করে শেয়ার বাজারের কর্তৃপক্ষ নতুন শেয়ার তালিকাভুক্তির অনুমতি দিয়ে থাকে। দ্বিতীয়ত, শেয়ার বাজারের লেনদেন দুরকম ভাবে হতে পারে। একরকম হল নগদ কারবার (cash transaction)। আর একরকম হ’ল বাকীতে কারবার (Forward transaction)। নগদ কারবারের অপর নাম সদ্য নিষ্পত্তি চুক্তি (Ready delivery contract) আর বাকীতে কারবারের অপর নাম আগাম নিষ্পত্তি চুক্তি (Forward delivery contract)। এই দুই শ্রেণীর লেনদেনকে বিনিয়ােগ বা ফটুকার উদ্দেশ্য অনুযায়ী পৃথক করা যায় না কারণ উভয় ক্ষেত্রেই কম বেশি ফটুকা লক্ষণীয়। নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে লেনদেনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে হয়। কিন্তু বাকীতে লেনদেনের ক্ষেত্রে 14 দিনের মধ্যে লেনদেনের নিষ্পত্তি করতে হয়। নগদ লেনদেনে জের টানা প্রথা (Carry over System) প্রচলিত নেই। কিন্তু বাকী লেনদেনের ক্ষেত্রে জের টানা প্রথা প্রচলিত। জের টানা প্রথার অর্থ হ’ল যে একপক্ষকালীন বাকীতে লেনদেনকে পরবর্তী পক্ষকালের শেষে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা। যে কোন তালিকাভুক্ত লগ্নীপত্র সম্পর্কে নগদ লেনদেন করা যায়। কিন্তু বাকীতে লেনদেন শুধু অগ্রিমচুক্তির জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি লক্ষ্মীপত্রেই সীমাবদ্ধ থাকে। তৃতীয়ত, নগদ লেনদেন ও বাকীতে লেনদেন সংক্রান্ত যাবতীয় লগ্নীপত্রের মধ্যে যেগুলি প্রায়ই বেচা কেনা হয় সেগুলি নিষ্পত্তির জন্য শেয়ার বাজারে পৃথক নিকাশ ঘর (Clearing House) স্থাপিত হয় অথবা কোন বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ককে নিকাশী প্রতিনিধি (Clearing Agent) হিসাবে নিয়ােগ করা হয়। এই নিকাশী তালিকার বহির্ভূত লগ্নীপত্রগুলি উহাদের ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি আদান প্রদানের দ্বারা নিষ্পত্তি করা হয়। শেয়ার বাজারে এইরূপ নিকাশ ঘর স্থাপন করার জন্য লেনদেনের নিষ্পত্তি সহজ এবং ত্বরান্বিত হয় এবং ক্রেতা ও বিক্রেতা হিসাবে প্রত্যেক সদস্যের দ্বারা সম্পাদিত সমগ্র লেনদেনের পরিমাণ নিরূপণ করা যায়।

READ ALSO  গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নেতা (Important National Leaders)

Read More : 100 Most Famous Quotes Of All Time 2021

শেয়ার বাজারের ফটকা (Stock Exchange Speculation)


শেয়ার বাজারে ফটকা লেনদেন একটি উল্লেখযােগ্য ঘটনা। ভবিষ্যতে কি ঘটবে সে সম্পর্কে আগে থেকে অনুমান করে কোন কাজ করাকে ফটকা (Speculation) বলে। ভবিষ্যতে যে ঘটনা ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে যদি সত্যই সে ঘটনা ঘটে তাহলে ফটকা কারবারী তার দ্বারা লাভবান হতে পারে। আর যদি সেই ঘটনা না ঘটে তাহলে ফটকা কারবারী লােকসানের সম্মুখীন হয়। ভবিষ্যতে কোন শেয়ারের দাম বাড়বে অনুমান করে কোন শেয়ার ব্যবসায়ী সেই শেয়ার বেশি করে কিনে রাখতে পারে। যদি সত্যসত্যই ভবিষাতে ঐ শেয়ারের দাম বাড়ে তখন বেশি দামে ঐ শেয়ার বিক্রি করে ঐ কারবারীর পক্ষে লাভ করা সম্ভব হয়। কিন্তু যদি ঐ শেয়ারের দাম ভবিষ্যতে না বেড়ে কমে যায় তখন কম দামে ঐ শেয়ার বিক্রি করে শেয়ার ব্যবসায়ীকে ক্ষতি স্বীকার করতে হয়। শেয়ার বাজারে বাকীতে লেনদেন প্রায় সর্বত্রই ফটকা কারবারের জন্যই হয়ে থাকে। অন্যদিকে নগদ লেনদেনে বিনিয়ােগ এবং ফটকার অভিপ্রায় সমভাবে বর্তমান থাকে। শেয়ার বাজারে সহজসাধ্য হস্তান্তর, লক্ষ্মীর গতিশীলতা, মূল্য হ্রাসবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা প্রভৃতি যে সমস্ত সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলি প্রধানত ফটকা থেকেই উদ্ভুত। শুধু বিনিয়ােগের উদ্দেশ্যে লেনদেন সাধিত হলে শেয়ার বাজারের বেচা কেনা খাপছাড়া ধরণের হত। কিছু সংখ্যক বিনিয়ােগকারীর কয়েকটি লেলদেনের সাথে অগণিত ফকা লেনদেন যুক্ত হওয়াতে শেয়ার বাজারে নিরবচ্ছিন্ন ও বিরামহীন বেচা কেনা সম্ভব হয়। এছাড়া ফট্‌কার মাধ্যমে
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শেয়ারের নির্ণীত মূল্য দ্বারাই লক্ষ্মীপ্রবাহ নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। ফটকাবাজদের তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যেতে পারে।

(1) তেজীওয়ালা ফটকাবাজ (Bull Speculators) : কো ভগ্নীপত্র উচ্চমূল্যে ভবিষ্যতে বিক্রির উদ্দেশ্যে তেজীওয়ালা ফটকাবাজ একপক্ষ বা তারও অধিক সময় ব্যাপী লগ্নীপত্র আগাম কেনার জন্য ক্রমাগত আগাম চুক্তি করে যায়। এই কেনার কাজটি সুগম করার জন্য ফটকাবাজ বিভ্রমকারী পাল্টা ও ভুয়া বিক্রয় দ্বারা অন্যান্য সদস্যদের প্রভাবিত করে। যদি তেজীওয়ালা ফকাবাজের অনুমান অনুযায়ী ভবিষ্যতে মূল্য বৃদ্ধি পায় তাহলে আগেকার কেনা লগ্নীপত্রগুলি একসঙ্গে বিক্রি করে সে মুনাফা ভােগ করতে পারে। অন্যথায় তাকে ক্ষতি স্বীকার করতে হয়। ষাঁড় যেমন তার আক্রান্ত বস্তুকে শিং-এর সাহায্যে উপরের দিকে ছুঁড়ে ফেলে দেয় সেইরকম মূল্যস্তরকে বাড়িয়ে তােলা হয় বলেই ইংরাজীতে একে Bull Speculator বলা হয়।

READ ALSO  রংপুর বিদ্রোহ ১৭৮৩ (The Rangpur Uprising)

(2) মন্দীওয়ালা ফটকাবাজ (Bear Speculator) : ভবিষ্যতে দাম কমবে এই অনুমানের ভিত্তিতে মন্দীওয়ালা ফটকাবাজ বর্তমানের মূল্যস্তর অনুযায়ী উচ্চমূল্যের লগ্নীপত্র বিক্রির ক্রমাগত অগ্রিম চুক্তি করে যায়। পরে দাম কমলে একসঙ্গে লক্ষ্মীপত্র কিনে পূর্ব সম্পাদিত বিক্রির লেনদেনগুলির নিষ্পত্তি করা হয়। ভাল্লুক যেমন তার আক্রান্ত বস্তুকে নিচে ফেলে পেষণ করে সেই রকম মূল্যস্তরকে নিচে আনার জন্য এই ধরণের ফটকাবাজকে ইংরাজীতে Bear Speculator বলা হয়।

(3) শেয়ার আবেদনকারী ফটকাবাজ (Stag Speculator) : শেয়ার বিক্রির উদ্দেশ্যে শেয়ার আবেদনকারী ফটকাবাজ নতুন কোম্পানীর বহু সংখ্যক শেয়ার কেনার জন্য আবেদন করে। প্রচুর আবেদন পত্র পাওয়ার জন্য কোম্পানী বিভ্রান্ত হয়ে শেয়ারের উপর অধিহার (Premium) গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। শেয়ারের উপর অধিহার ঘােষণা করা হলেই এই ফটকাবাজ সমস্ত শেয়ার বিক্রি করে দেয় এবং শেয়ারের উপর প্রদত্ত অবিহারের পরিমাণ মুনাফা হিসাবে ভােগ করে। শেয়ারের ভুয়া চাহিদা দূরীভূত হওয়ায় রাতারাতি ওর মূল্য হ্রাস পায়। ভয় পেয়ে পালানাে হরিণের মত এই ফটকাবাজদের ইংরাজীতে Stag Speculator বলে।

Image Credit : Pixabay

Leave a Comment